সকল কার্যক্রম
গুপিনপুর কেন্দ্রীয় মসজিদের বিদ্যুৎ বিল
৪ আগস্ট ২০২৬

গুপিনপুর কেন্দ্রীয় মসজিদের বিদ্যুৎ বিল

উদ্দেশ্য

এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো গুপিনপুর কেন্দ্রীয় মসজিদের মাসিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে নিয়মিত সহযোগিতা করা।

বিস্তারিত বিবরণ

অনেকেই গুপিনপুর সিদ্দিকিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা বলতে একই প্রতিষ্ঠানের আওতায় পরিচালিত গুপিনপুর কেন্দ্রীয় মসজিদ এবং মাদ্রাসা—উভয়কেই বুঝে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরেই এই দুটি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে পরিচালিত হয়েছে। তবে প্রায় এক বছর আগে থেকে মসজিদ ও মাদ্রাসার আর্থিক ব্যবস্থাপনা পৃথক করা হয়। অর্থাৎ, মাদ্রাসার ব্যয় ও মসজিদের ব্যয় এখন আলাদাভাবে পরিচালিত হয়। এই পরিবর্তনের পর দেখা যায়, মাদ্রাসা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেলেও মসজিদের জন্য নিয়মিত অনুদানের ব্যবস্থা খুবই সীমিত। বর্তমানে মসজিদের প্রধান আয়ের উৎস হলো প্রতি সপ্তাহের শুক্রবারে মুসল্লিদের দেওয়া অনুদান। এই সীমিত আয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিল, রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য নিয়মিত ব্যয় বহন করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। উদাহরণ হিসেবে, জুলাই ২০২৬ মাসে মসজিদের মোট বিদ্যুৎ বিল প্রায় ১,৮০০ টাকা আসে। এর মধ্যে ১,০০০ টাকা মাদ্রাসা সহায়তা হিসেবে পরিশোধ করে এবং বাকি ৮০০ টাকা মসজিদ নিজস্ব তহবিল থেকে বহন করে। এই পরিস্থিতি থেকেই আমরা উপলব্ধি করি যে, মসজিদের জন্য একটি নিয়মিত সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে দিগন্ত ফাউন্ডেশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আগস্ট ২০২৬ থেকে প্রতি মাসে গুপিনপুর কেন্দ্রীয় মসজিদের বিদ্যুৎ বিলের জন্য ১,০০০ টাকা নিয়মিত অনুদান প্রদান করবে। এটি একটি ছোট উদ্যোগ হলেও, ইনশাআল্লাহ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার আন্তরিক চেষ্টা থাকবে। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। কতদিন এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে, তা ভবিষ্যতের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। তবে যতদিন এই উদ্যোগ চলবে, ততদিন এর সকল আপডেট, অনুদানের তথ্য এবং কার্যক্রমের অগ্রগতি এই পেজে প্রকাশ করা হবে। আপনিও যদি এই উদ্যোগে অংশ নিতে চান, তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার সামান্য সহযোগিতাও একটি মসজিদের নিয়মিত কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলের দান ও প্রচেষ্টা কবুল করুন এবং সমাজের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার তাওফিক দান করুন। আমীন। 🤲